মিলির স্বামী, ওর পিসির ছেলে সিরাজকে নিয়ে এসেছে এ বাড়ীতে প্রায় এক সপ্তাহ হল। সিরাজ বছর পঁচিশের ছেলে, মাজা মাজা গায়ের রং, লম্বা সুঠাম পেটানো চেহারা। কিন্তূ একটূ বোকাসোকা টাইপের। পড়াশুনা বিশেষ করতে পারেনি, বাপের বিশাল ব্যবসা, তাতে ঢুকে অবশ্য বেশ বুদ্ধির পরিচয় দিছে। সম্পর্কে মিলি তার বৌদি। মিলি একা একা বাড়িতে থাকেন। ওর স্বামী ব্যবসায়ীক কাজে ঢাকার বাহিরে কাজে চলে যান প্রায়ই ।কিন্তু সব কিছু ঠিকই ছিল,,, শুধু একটা সমস্যা,, সেটা হল বয়স্ক স্বামী হারুন ওর রশিদ বয়স্ক লোক। স্বামীর বয়সের বিবেচনায় তিনি তার থেকে ১৫বছরের ছোট। লোক টা মিলিকে শুধু সাংসারিক নিজের দেখাশুনার জন্য বিয়ে করেছেন। তাছাড়া লোকটির পুরুষত্বের নেই বললে চলে। মিলি অসহায় লোকটার টাকার কাছে পরাজিত। নয়তো কবে হারুনুর রশিদকে ছেড়ে ছুড়ে চলে আসতো।
এইদিকে একা একা থাকা মিলির ভারী ভাল লাগল তার ছোট্ট দেবর সিরাজকে পেয়ে। মিলি ভাবলো, এক গাল হাসি,রং তামাসা, আর গল্প করে এখন সময় কাটানো যাবে । বয়সে বৌদি সিরাজের চেয়ে মাত্র বছর পাঁচেকের বড়। বেশ লাজুক লাজুক মুখ করে সিরাজ তার বৌদি দিকে তাকায়। মিলি সারাদিন একাই থাকেন বাসায়, তাই সিরাজের সাথে ইদানীং বেশ ভালই গল্প-টল্প করে সময় কাটাতে লাগলেন। কয়েকদিনের মধ্যে সিরাজ মিলির সাথে একটা ভাল দেবর- বৌদি সম্পর্ক হয়ে গেল। সম্পর্ক আর কি, এই অল্প-বিস্তর বৌদিসুলভ ঠাট্টা-ইয়ার্কিও আর মাঝে মাঝে দুজন মিলে একটু খুঁনসুটি । একদিন মিলি ঠাট্টা ছলে জিজ্ঞেস করলো, সিরাজ প্রেম টেম কর নাকি?” সিরাজ লজ্জায় মাথা নেড়ে না না বললে মাথা নিচু করে ফেললো। কারণ এর আগে বাড়ীতে একাই থাকতো সিরাজ, বাবা-মার সঙ্গে, দিদি-বোন কেউ নেই, বলতে গেলে মেয়েদের সঙ্গে সেভাবে মিশেনি সে বা তাদের সাহচর্য পায়নি কোনদিন ।কিন্তু হঠাৎ মিলির বন্ধুসূলভ আচরন আর সান্নিধ্য সিরাজ যেন এক নতুন জগৎ খুঁজে পেল। ------ কয়েকদিন পর একদিন বিকেলে ছাদ থেকে জামা-কাপড় আনতে গিয়ে মিলি দেখলো সিরাজ দড়িতে মিলির রোদে শুকাতে দেওয়া সালোয়ার-কামিজের পাশে মেলে দেওয়া ব্রা-প্যান্টি'টা মন দিয়ে দেখছে। এই সব দেখে মিলি আড়ালে হেসেই গেল এক গাল। হঠাৎ তার এক দুষ্টুবুদ্ধি চেপে বসলো। চুপি চুপি পেছনে এসে বলল, “কি দেখছ? এটা দেখনি কোনদিন?” ও কি বলবে ভেবে পেল না । মিলি তখন মজা পেয়ে হাসতে লাগলো । জামা-কাপড় তুলে সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে মিলি তার লাল পেটিকোট আর সাথে প্যান্টিটা ওর সামনে মেলে বললো,, -ছেলেরা যেমন জাঙ্গিয়া পরে, মেয়েরা ও তেমনি এই গুলো পরে, একে পেটিকোট আর এটাকে প্যান্টিস বলে, তুমি জানতে না সিরাজ? -জানতাম, তবে দেখিনি কোনদিন। - তাই বুঝি বৌদির প্যান্টি দেখা হচ্ছিল। বড় মেয়েরা সবাই এটা পরে। তুমি যেমন জাঙ্গিয়া পর, তেমনি আমিও এটা পরি। -আমি তো সবসময় জাঙ্গিয়া পরি না, কেবল খেলার সময় বা বাইরে গেলে পরি, তুমি সর্বদা পর? মিলি তো শুনে থ বনে গেলো, ছেলেটা বলে কি? এতবড় দামড়া ছেলে জাঙ্গিয়া না পরে থাকে? অবাক হয়ে বললো, “ সে কি গো, আমি তো সব সময়েই পরি, এখনও পরে আছি। তার মানে তুমি যখন পর না, তখন তোমার ওটা প্যান্টের তলায় লটপট করে ঝোলে আর দোলে?” বলে ওর দিকে আড়চোখে চেয়ে নিজের ঠোঁটটা কামড়ে ওকে চোখ মারতেই ওর যা অবস্থা হল বলার নয়। কোনরকমে দৌড়ে নিজের ঘরে চলে গেল আর মিলি মুচকি হেসে নিজের কাজ করতে চলে এলেন নিজের রুমে। আমার সব গল্প আমার মেসেঞ্জা'র গ্রু'পে দেওয়া হয়,সেখানে পাবেন। যারা আমার মেসেঞ্জার গ্রুপে ঢুকে সব গল্প একসাথে পড়তে চান। তারা আমাকে ফ্রে'ন্ড রিকু"য়েষ্ট দিয়ে মেসে'জ করুন। এই আইডিতে 👉 রোমান্টিক গল্প লেখক ----- আজ সকালে হারুনুর রশিদ চিটাগং চলে গেছেন তার শিপ বিজনেস এর কাজে।রাতে খুব ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। হঠাৎ ই সিরাজ দেখলো,, বাহিরের বৃষ্টি ফোটা গুলো জানালা দিয়ে ঘরের ভিতরে আসছে। সিরাজ দ্রুত বিছানা থেকে উঠে দরজার দিকে তাকাতেই সিরাজ চমকে গেলো। মিলি বৌদি তার রুমের দরজায় দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি ঠোঁটের কোণে এক অদ্ভুত হাসি রেখে সিরাজের বিছানায় বসতে বসতে বললেন। এখনো ঘুমাও নি তুমি। না বৌদি,, ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে । তাই জানালা গুলো লাগাতে উঠেছি। তুমি ঘুমাও নি। না গো। জানো আমার ঝড়বৃষ্টি হলে খুব ভয় লাগে। আমি রুমে একাই ছিলাম। খুব ভয় লাগছে তাই তোমার কাছে চলে এলাম। সিরাজ কিছু বুঝতে না পেরে বললো, বাহ রে আমার এখানে তো একটাই খাট। মিলি বললো, অহ। তাতে কি হয়েছে। আমার রুমে এসো। সেখানে দুটো খাট আছে। তুমি না হয় আজ আমার পাশের খাটে নিদ্রা গেলে । সিরাজ মাথা নাড়িয়ে সায় দিলো। এবার একটা বালিশ হাতে নিয়ে মিলির বৌদির পেছনে পেছনে তার রুমের দিকে হাটতে শুরু করলো। #তিক্ত_রাত #পর্ব- ১ লেখায়- সুজন চলবে....