বউ বায়না ধরেছিল ঘুরতে যাবে। সাংসারিক কাজের কারণে কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়না তার। তাই স্বামীকে অনুরোধ করে বলেছিল - চলো একটু কোথাও ঘুরে আসি। 



স্বামীও কয়েকদিন যাবত ঘুরতে যাওয়ার কথা বলছিল কিন্তু মিলমতো সময় হয়ে উঠছিল না। এবারে দুজনের মিলমতো হওয়ায় প্রচন্ড খুশি হয়েছিল স্ত্রী। 


ব্যাগ গুছিয়ে খুশিমনে রওনা দিল স্বামীর সাথে। তার মনে আলাদা একটা উৎফুল্লতা কাজ করছিল। তারপর শনিবারে দুজন মিলে বান্দরবানের একটা রিসোর্টে উঠে।


দুজন মিলে ঘুরাঘুরিও করে কিছু সময়। স্বামীর সাথে বহুদিন পর ঘুরতে আসায় প্রচন্ড আনন্দিত ছিল সে। খুশিমনে হাত দিয়ে চারপাশের প্রকৃতি দেখাচ্ছিল স্বামীকে আর উৎফুল্ল হচ্ছিল।


এর দুইদিন পর মঙ্গলবারে স্বামী এসে বলে- "আমাদেরকে এখান থেকে আরেকটা রিসোর্টে যেতে হবে।" 


যেহেতু সাথে স্বামী আছে তাই বউ আর কোন আপত্তি করে না। খুশিমনে রওনা দেয় সেখানে।সেখানেও খুশি মনেই সময় কাটছিল তার। বহুদিন পর ঘুরতে এসেছে তাই খুশির মাত্রাটা একটু বেশিই ছিল। 


কিন্তু এর কিছু সময় পরই স্ত্রী দেখতে পায় তাদের রুমে পরপর পাঁচ জন পুরুষ ঢুকেছে।


স্ত্রী জোরে চিৎকার করে। চিৎকার করে স্বামীকে জিজ্ঞেস করে- এরা এখানে কেন? আপনি কিছু বলছেন না কেন?

স্বামী কিছুই বলে না। তাকিয়ে থাকে শুধু। 


আর বলে- যা হবে ভালোয় ভালোয় মেনে নাও।


তারপর একজন একজন করে এগিয়ে যায় স্ত্রী টার কাছে। তাকে বিবস্ত্র করা হয় তাৎক্ষণিকভাবে। সে চিৎকার করে স্বামীকে বলে বাঁচাতে। 


কিন্তু তার স্বামী বাঁচায় না। তাকিয়েই থাকে।


রিসোর্টের আশেপাশে নিরব হওয়ায় অন্য কেউ শোনার মত পরিস্থিতিও ছিল না। পাশ থেকে আরেকজন এসে তার মুখ চেপে ধরে। তারপর পালাক্রমে সবাই মিলে ধ*র্ষণ করে তাকে। 


তাকে জোরে ধরে রাখায় সে কাউকে ডাকতেও পারছিল না। স্বামীর দিকে ইশারা করে বুঝাতে চাচ্ছিল- আমাকে বাঁচান। 


কিন্তু স্বামী ধ*র্ষকদেরকে আরও সাহায্য করছিল।


এভাবে অনেকক্ষণ যাবত চলতে থাকে সঙ্ঘবদ্ধ ধ*র্ষণ। তীব্র ব্যথা এবং যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে সেখানেই অবচেতন হয়ে পড়ে স্ত্রী। 


পরে কিছুটা ঠিক হলে অন্যদের সহায়তা নিয়ে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায় চিকিৎসার জন্যে। সেখানে পুরো ঘটনা খুলে বলে সবাইকে। 


ঘটনা শুনে সবাই থানায় মামলা করতে বলে। কিন্তু ততক্ষণে স্বামীসহ বাকিরা পালিয়ে গেছে। 


কয়েকজনের সহায়তায় নিয়ে অসুস্থ শরীর নিয়েই বউ থানায় যায়। তারপর ওই পাঁচজন এবং অজ্ঞাত আরও দুইজনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।


তারপর পুলিশ তদন্ত করে স্বামী রুবেল এবং এক বন্ধুকে ধরে। এখন দুইদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে তাদেরকে।


প্রাথমিক তদন্তমতে- ধ*র্ষক সবাই স্বামী রুবেলের বন্ধু ছিল এবং টাকার জন্যে স্বামী এ জঘন্য কাজটা করিয়েছে।


বউ ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে আফসোসের স্বরে বলছিল - "আমাকে যখন জোর করে ধ*র্ষণ করা হচ্ছিল আমি আমার স্বামীর দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে  সাহায্য চাইছিলাম। কিন্তু সে সাহায্য করেনি।"


মহিলাটার মুখ চেপে ধরায় কোন আওয়াজও করতে পারেনি সে। শুধুমাত্র চোখের ইশারায় স্বামীকে বুঝাচ্ছিল আমাকে একটু সাহায্য করো। তার চোখ দিয়ে তখন ছলছল করে পানি পড়ছিল।


(সামনে আরও বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাব)


তথ্য সংগ্রহ এবং লেখা- Ibrahim Khalil Shawon


এরকম বাস্তব ঘটনা জানতে হলে পেইজে ফলো করে রাখুনঃ  Liton Dash